নিজস্ব প্রতিনিধি।
টেকসই উন্নয়ন গ্রাম ( এসডিসি ভিলেজ) হিসাবে যাত্রা শুরু করলো রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলার মিতিঙ্গাছড়ি।
সোমরাব সকালে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র থেকে ভার্চুয়ালী যুক্ত হয়ে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রাঙামাটি প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, সিভিল সার্জন ডা. নূয়েন খীসাসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, প্রথাগত প্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও গ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকার প্রধান বলেন, বাংলাদেশ যেভাবে এমডিজি সফল ভাবে শেষ করেছে। এখন এসডিজি নিযে কাজ করছে। আশা করছি এখানেও আমরা সফল হবো। দেশের সফলতার জন্য এসডিজি নিযে কাজ শুরু করেছে। সেখানে ১৭ টি ইন্ডিকেটর বাস্তবায় করতে কাজ করছে। আমরা সরকার গঠনের পর হতেই নারীর ক্ষমতায়ন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ডসহ বিভিন্ন কার্ডেক কাজ এগিযে চলছে।
এসডিজি ভিলেজ জন্য ৩টি গ্রামের, নারীর ক্ষমতায়ন, গ্রাম্য পর্যটন, কর্মসংস্থান, অত্মনির্ভীশীল গ্রাম হিসাবে গড়ে উঠবে। পরে যা দেশের সব গ্রামে বাস্তবায়ীত হবে।
তিনি আরও বলেন এই এসডিজি ভিলেজে বর্তমান সরকারে নির্বাচনী অঙ্গিকারকে একটি আন্তর্জাতিক ভাবে স্বকৃত ডেবলাটমেন্ট মডেল হিসাবে বিশ্ব কাছে দৃষ্টান্তমূলক মডেল হিসাবে তুলে ধরবে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী মিতিঙ্গাছড়ি গ্রামের বাসিন্দারের সাথে কথা বলেন। গ্রামবাসী তাদের সমস্যা তুলে ধরার পাশাপশি প্রধামন্ত্রীকে মিতিঙ্গাছড়ি আসার আমন্ত্রন জানায়।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান এসডিজি লক্ষ্যমাত্রার সূচক, তথা
মানসম্মত শিক্ষা , স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন, শিশু ও মাতৃমৃত্যু হ্রাস, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন, নারীর ক্ষমতায়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার, কর্মসংস্থানসহ সকল ক্ষেত্র পিছিযে আছে এমন গ্রামকে নির্বাচন করা হযেছে।সেখানে স্থানীয়দের সব সমস্যা চিহ্নিত করে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করে সরকারের সকল সুবিধা প্রদান করে গ্রামগুলোকে আত্মনির্ভরশীল গ্রাম হিসাবে গড়ে তুলতেই এই পাইলট প্রকল্প নিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন। যা পরে সারা দেশের সব গ্রামগুলোতে এই মডেলে গড়ে তোলা হবে।
পাইলট প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশের ৩টি গ্রাম নির্বাচন করা হয়। যার মধ্যে রাঙামাটি কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের মিতিঙ্গাছড়ি, খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার পানখালী এবং দিনাজপুর জেলার বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর গ্রাম রয়েছে।#

