নিজস্ব প্রতিনিধি:- রাঙামাটিতে সংরক্ষিত বনাঞ্চল কাঠ পাচারে সময় কোটি টাকার কাঠ আটক করা হয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগ।
জানাগেছে, রাঙামাটিতে শহরে প্রবেশের সময় কাপ্তাই হ্রদ থেকে অভিযান চালিয়ে চারটি বোটভর্তি বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠ জব্দ করেছে রাঙামাটির দক্ষিণ বন বিভাগ যৌথ টিম। সদর ও বরকল রেঞ্জকর্মকর্তার দাবি, জব্দ করা কাঠের পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৩ হাজার ঘনফুট।
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিক্তিতে শুক্রবার বিকেলে রাঙামাটি-কাপ্তাই নৌপথের ঝগড়াবিল এলাকায় কয়েকটি কাঠবোঝাই বোটের অবস্থানের সংবাদ আসে বন বিভাগে। পরে রাঙামাটি দক্ষিণ বন বিভাগের সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা ও বরকল রেঞ্জ কর্মকর্তা র যৌথ নেতৃত্বে বন বিভাগের একটি দল সেখানে যৌথ অভিযানে কাঠ বোঝাই বোট আটক করা হয়।
এ সময় বন বিভাগের সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে বোটে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যান বলে জানিয়েছে বন বিভাগ। পরে কাঠবোঝাই বোটগুলো জব্দ করে বন বিভাগের নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসে।
রাঙামাটি পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের সদর রেঞ্জ ও বরকল রেঞ্জ কর্ম কর্মতারা বলেন, ‘সেগুন কাঠ ভর্তি ৪টি বোট কাপ্তাই হ্রদ দিয়ে রাঙামাটিতে প্রবেশ করছে গোপন সংবাদে খবর আসে। পরে শুক্রবার বিকেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় সদর রেঞ্জের সদস্যরা কাপ্তাই হ্রদের ঝগড়াবিল এলাকায় নৌ-পথে অভিযান চালিয়ে সেগুলো জব্দ করে।’’
তিনি জানান, চারটি বোটে আনুমানিক সাড়ে ৩ হাজার ঘনফুট সেগুন কাঠ রয়েছে। জব্দ করা কাঠের বিষয়ে সিজার লিস্ট প্রস্তুত করে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। কাঠের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় কোটি টাকা বলে জানা গেছে।জব্দ করা চারটি বোটের কাঠের মালিকানা ও কাঠের উৎস এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি বন বিভাগ।
রাঙামাটি দক্ষিণ বন বিভাগের সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা ও বরকল রেঞ্জ কর্ম কর্তা প্রতিবেদককে জানান, জব্দ করা কাঠের সিজার লিস্ট প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। তদন্তের পর কাঠের মালিকানা ও পাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে খোজ খবর নেয়া হবে।
ধারণা করা হচ্ছে সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে কাঠগুলি পাচার করার উদ্দেশ্য রাঙামাটি নিয়ে আসার চেষ্টা করেছে কিছু পাচারকারী সিন্ডকেট।