

পার্বত্য জেলার সর্বস্তরের জনসাধারণের সকলেই জানি অনেক ঘটনাবহুল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে ২০২৬ইং সালের ১২ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে পাহাড়ী-বাঙ্গালী সকল পার্বত্যবাসী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে পূর্ন সমর্থন দিয়ে আসছে। রাস্তা ব্লক করাসহ নানা পন্থায় ও উপায়ে প্রতিবাদ এবং দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করার জন্য সরকারের নিকট দাবী জানানো হয়েছিল।
এভাবে বেশ কয়েকবার এ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ানকে স্ব-পদে পুনর্বহাল এবং জনাব মীর হেলা উদ্দিনকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে অন্যত্র পদায়ন করার দাবী জানিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের নাগরিক সমাজ ও সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ তিন পার্বত্য জেলার বিভিন্ন জায়গায় সভা-সমাবেশ করে প্রতিবাদ মিছিল, মানববন্ধন এবং স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছিল। এইসব সভা-সমাবেশে এ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ানকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছিল।
২। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হেলাল উদ্দিনকে তিন পার্বত্য জেলার আইন-শৃংখলা, দুর্নীতি, ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং জনকল্যানমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সার্বিক সরকারী কার্যাবলী তদারিক ও সমন্বয়ের দায়িত্ব হতে অব্যাহতি প্রদান করা।
৩। পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যাকে রাজনৈতিকভাবে সমাধানের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহের বৈধ ও উপযুক্ত প্রতিনিধির সাথে আলোচনা করে গঠিত তিনটি কমিটি: ১। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি, ২। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক নির্বাহী কমিটি ও ৩। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক পরামর্শক কমিটি সমূহের কার্যক্রম বাতিলকরণসহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের তিনটি কমিটি: ১. পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা কমিটি ২. পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটি; ও ৩. ভারত প্রত্যাগত উপজাতীয় শরণার্থী প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসন এবং অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু নির্দিষ্টকরণ ও পুনর্বাসন সম্পর্কিত টাস্কফোর্স; পূনর্গঠন করা।
৪। পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার রোডম্যাপ ঘোষনা করে পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা।#