উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, ‘পর্যটন শিল্পের বিকাশের পাশাপাশি স্থানীয় উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্যে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলাতে স্থানীয় নারী উদ্যোক্তারা তাদের উৎপাদিত বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী নিয়ে পসরা বসিয়েছেন। আমাদের নারী উদ্যোক্তারা তাদের নিজস্ব প্রচেষ্টায় অনেক দূর এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। আর এ ক্ষেত্রে তাদের পাশে দাড়াতে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবো।
তিনি বলেন, আগামী দিনে আমাদের পর্যটন শিল্পের বিকাশে এবং পাহাড়ের উৎপাদিত পণ্য সামগ্রী যাতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রপ্তানি করা যায়, সেই দিকে লক্ষ্য রেখে উদ্যোগ নেয়া হবে। আগামী কিছু দিনের মধ্যেই এ সুফল পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদ সদস্য ও পর্যটন বিষয়ক আহ্বায়ক শ্বাশৎ চাকমা রিংকু, রাঙামাটি পর্যটন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপক অলোক বিকাশ চাকমা, সদস্য অ্যাড. মামুনুর রশিদ মামুন, নন্দিতা দাশ প্রমুখ।
মেলায় রাঙামাটির স্থানীয় কৃষি ও হস্তশিল্পের প্রায় ৫০টি স্টল বসেছে। প্রতিবারের মতো এবারও পাহাড়ি নারীদের উৎপাদিত ঐতিহ্যবাহী পণ্যের পসরা নিয়ে বসেছেন নারী উদ্যোক্তারা, যা মেলায় আগত পর্যটক ও স্থানীয়দের আকৃষ্ট করছে।
সানজিদা এলি একজন উদ্যোক্তা সোস্যাল মিডিয়া তথা ফেইসবুকে অভিযোগ করে বলেন, এই মুহূর্তে ছোট ও নতুন উদ্যোক্তাদের সামনে থাকা বাধাগুলো তিনি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
