মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় দশ দিনব্যাপী পর্যটন মেলা শুরু

  • প্রকাশিত: 27 September 2026, 2:18 PM | আপডেট: ২ সপ্তাহ আগে

নিজস্ব প্রতিনিধি:-  রাঙামাটি জেলা পরিষদের আয়োজনে রাঙামাটি, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬  রোববার সকালে জেলা পরিষদ কার্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত মেলার উদ্বোধন করেন, প্রধান অতিথি রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দীপু।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, ‘পর্যটন শিল্পের বিকাশের পাশাপাশি স্থানীয় উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্যে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলাতে স্থানীয় নারী উদ্যোক্তারা তাদের উৎপাদিত বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী নিয়ে পসরা বসিয়েছেন। আমাদের নারী উদ্যোক্তারা তাদের নিজস্ব প্রচেষ্টায় অনেক দূর এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। আর এ ক্ষেত্রে তাদের পাশে দাড়াতে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবো।

তিনি বলেন, আগামী দিনে আমাদের পর্যটন শিল্পের বিকাশে এবং পাহাড়ের উৎপাদিত পণ্য সামগ্রী যাতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রপ্তানি করা যায়, সেই দিকে লক্ষ্য রেখে উদ্যোগ নেয়া হবে। আগামী কিছু দিনের মধ্যেই এ সুফল পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিষদ সদস্য ও পর্যটন বিষয়ক আহ্বায়ক শ্বাশৎ চাকমা রিংকু, রাঙামাটি পর্যটন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপক অলোক বিকাশ চাকমা, সদস্য অ্যাড. মামুনুর রশিদ মামুন, নন্দিতা দাশ প্রমুখ।

মেলায় রাঙামাটির স্থানীয় কৃষি ও হস্তশিল্পের প্রায় ৫০টি স্টল বসেছে। প্রতিবারের মতো এবারও পাহাড়ি নারীদের উৎপাদিত ঐতিহ্যবাহী পণ্যের পসরা নিয়ে বসেছেন নারী উদ্যোক্তারা, যা মেলায় আগত পর্যটক ও স্থানীয়দের আকৃষ্ট করছে।

সানজিদা এলি একজন উদ্যোক্তা সোস্যাল মিডিয়া তথা ফেইসবুকে অভিযোগ করে বলেন, এই মুহূর্তে ছোট ও নতুন উদ্যোক্তাদের সামনে থাকা বাধাগুলো তিনি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

বিশেষ করে, দীর্ঘদিন ধরে যারা ব্যবসা করতে চাচ্ছেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চাচ্ছেন এবং নিজেদের উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে চেষ্টা করছেন, তাদের জন্য যদি সুযোগের দরজা বারবার বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে উদ্যোক্তা তৈরি ও বেকারত্ব দূর করার উদ্যোগগুলোও বাধাগ্রস্ত হবে।অতীতে কারও বিরুদ্ধে যদি অনিয়ম, পক্ষপাতিত্ব বা প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ থেকে থাকে, তাহলে সেগুলো ব্যক্তিগত আক্রমণের মাধ্যমে নয়—তথ্য, প্রমাণ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হোক। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনা হোক।আমরা কারও বিরুদ্ধে নই; আমরা অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে। আমরা চাই না কয়েকজনের প্রভাবের কারণে ছোট উদ্যোক্তারা পিছিয়ে পড়ুক। আমরা চাই একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও সবার জন্য সমান সুযোগের পরিবেশ।
জেলা পরিষদের সম্পদ জনগণের সম্পদ। তাই স্টল, দোকান বরাদ্দ কিংবা অনুদান—প্রতিটি ক্ষেত্রে চাই স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে ন্যায্য বণ্টন।কোন নির্দিষ্ট জাতি,গোষ্ঠী,বা সংগঠন নয় জেলাপরিষদের সুযোগ সুবিধা হোক প্রতিটা যোগ্য এবং প্রতিশ্রুতিশীল উদ্যোক্তার জন্য।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...