এদিকে নিন্ম চাপের প্রভাবে চারদিন রাঙামাটিতে টানা বৃষ্টিপাতের পর হ্রদে পানি বেড়েছে । এতে বেড়ে গেছে পাহাড় ধ্বসের ঝুঁকি। বিপর্যস্ত হয়ে পগেছে জনজীবন। পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে এবং সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবেলায় সকাল থেকে মাঠে নেমেছে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। সতর্ক অবস্থানে আছে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, রেড ক্রিসেন্ট ও রোবার স্কাউট দল। পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলা প্রশাসন আশ্রয় কেন্দ্র খুলে দেয়া হয়েছে । আশ্রয় কেন্দ্রে ৪১৬৬ জন তিনবেলা খাবার দিচ্ছে । যাদের বাসা বাড়ীতে গরু ছাগল হাস মুরগী আছে তারা কেউ আশ্রয় কেন্দ্রে যায়নি বলে জানা গেছে। ঘরে পানি উঠোর কারণে তারা এখনো কোন খাবার খায়নি বলে জানা গেছে।
রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফি জানান, বৈরী আবহাওয়ায় যে কোন দুর্যোগ মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতির পাশাপাশি ঝুকিপূর্ণ বসতিদের সরিয়ে নিতে মাঠে তৎপরতা চালানো হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।এদিকে লাগাতার বৃষ্টপাত হওয়ায় গতকাল রবিবার থেকে ঝুকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত মানুষকে নিরাপদে সরে যেতে মাইকিং করে জেলা প্রশাসন ও রাঙামাটি পৌরসভা কতৃপক্ষ। রাঙামাটি ৯৭টি স্পটে পাহাড় ধসের খবর জানিয়েছেন জেলা প্রশাসন।
জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, রাঙামাটিতে মোট ১৪০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ৪ হাজার ১৬৬ জন। টানা বর্ষণে জেলার বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় মিলিয়ে ৯৭টি পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে বিলাইছড়িতে ৩৭টি, কাউখালীতে ৩০টি, কাপ্তাইয়ে ১৫টি, রাঙামাটি সদরে ১০টি, বাঘাইছড়িতে ৩টি এবং নানিয়ারচরে ২টি পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান এমপির নির্দেশে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে বিলাইছড়ি উপজেলা বিএনপি। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার ( ৯ – ১০ জুলাই) ২ দিনব্যাপী দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়নে স্রোতের প্রতিকূলে জীবন বাজি রেখে বৈরী আবহাওয়া ও প্রবল বৃষ্টিপাতে পাহাড়ি ঢলে এমপির প্রতিনিধি হয়ে পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে ক্ষতিগ্রস্থদের খোঁজ – খবর নেন। সুবিধা-অসুবিধা কথা জানেন এবং ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা তৈরি করেন।
পরে ইউনিয়ন পরিষদের সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা বিষয়ে সমন্বয় করেন। এতে চিজাই পাড়া, চাইন্দ্যা পাড়া, তক্তনালা, ওড়াছড়ি, গোয়াইন ছড়ি, ফারুয়া বাজার, তাড়াছড়ি, এগুজ্যাছড়ি, যমুনা ছড়ি, শুক্কর ছড়ি, পানছড়ি, আলেখ্যং, গোয়াইনছড়ি এলাকার জনগণের খোঁজ- খবর নেন। খোঁজ নিতে ছুটে যান বিএনপির সিনিয়র সহ- সভাপতি মো. বারেক খাঁ, সহ-সভাপতি ইমাম হাসান সিকদার ও চাথোয়াই মার্মা, যুগ্ন সম্পাদক জয়সিন্ধু চাকমা, সিনিয়র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ধনমনি চাকমা, সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো মামুন ইসলাম। উল্লেখ্য যে, মরহুম রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মরহুম দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ ধরে রাখতে এবং প্রধান মন্ত্রীর তারেক রহমান সরকারের ৩১ দফা বাস্তবায়ন করার লক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সবসময় জনগণের পাশে রয়েছেন বলে জানা
#